দূষণের বিরুদ্ধে সরকার ও গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ দূষণ, বিশেষ করে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ ও পানিদূষণ প্রতিরোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শুধু আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এক্ষেত্রে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর, ২০২৩) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় রিজওয়ানা হাসান বলেন, “পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে এই প্রচেষ্টাগুলো সফল করতে হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের মনোযোগ রয়েছে, তবে সচেতনতা ছাড়া এই পদক্ষেপগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। প্রতিটি ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।”
ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান বলেন, জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশকে আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করতে নেগোশিয়েশন টিমকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি স্থায়ী নেগোশিয়েটর টিম তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রয়োগের আহ্বান জানান।
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রস্তাব করেন এবং পানিদূষণ, বায়ুদূষণ, বন উজাড় ও পাহাড় কর্তন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।
মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

