পরিবেশ দূষণ রোধে ইপিআর কার্যকর ভূমিকা রাখবে’
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেছেন, ইপিআর বাস্তবায়ন হলে শিল্পায়নের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর হাটখোলাস্থ এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে আয়োজিত উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) শীর্ষক অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি দেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং মন্ত্রণালয় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, দেশের সরকার প্লাস্টিক খাতকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত রফতানি খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং কার্যকরী। ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিক পণ্য রফতানি করে ১ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা আয় হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ও নতুন বাজার তৈরি হওয়ায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্লাস্টিক পণ্য রফতানি বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিবেশ দূষণ রোধে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার ২০০৫ সালে তিন কেজি থেকে বেড়ে ২০২০ সালে ৯ কেজিতে উন্নীত হয়েছে। ঢাকায় বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার ২৪ কেজি।’
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, ভাইস চেয়ারম্যান এমএ মোমেন, বিপিজিএমইএ সভাপতি শামিম আহমেদ প্রমুখ।

