এপ্রিল ১৮, ২০২৬

গরুর উচ্চজাত বনাম দুর্নীতিবাজ ধনিকশ্রেণি


সাদেক এগ্রোর মালিক জনাব ইমরান হোসেন সমাজেরগরুর উচ্ছজাত শ্রেণী বৈষম্যমূলক মানসিকতার ক্রেতা শ্রেণীকে কাজে লাগিয়ে উচ্চ বংশীয় গরু ও ছাগল নিয়ে তথ্য হাজির করেছেন। হাড্ডিসার গরু, যা শরৎচন্দ্রের মহেশ আমাদের দেশীয় গরু হিসেবে পরিচিত, তা খাবে বা কোরবানি দেবে নিম্নশ্রেণির গরিব মানুষরা। আর উচ্চশ্রেণির বড় লোকরা খাবে বা কোরবানি দেবে আমেরিকান ব্রাহাম জাতের গরু।

আমাদের দুর্নীতিবাজ ধনিকসম্প্রদায়ের ধনাঢ্য পুত্ররা তাদের রক্তে সেই ডাক শুনতে পেলো। ছাগল কিনছে পনেরো লাখ দিয়ে, গরু কিনছে এক কোটি দিয়ে। দুদক ধরতে পারেনি, ফাইনানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ তারাও ধরতে পারেনি। কিন্তু উচ্চ বংশীয় গরু তত্ত্বের কারণে একে একে সবাই ধরা পড়ছে।

সাদেক এগ্রো রামচন্দ্রপুরের বিশাল খাল দখল করে এই এগ্রো করেছিলো যা এই ঘটনার পর সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু এই উচ্চ বংশীয় গরু তত্ত্বের ক্রেতা শ্রেণীর তালিকা হয়নি । ব্রাহাম শ্রেণীর এই গরু মূলত এই উপমহাদেশের বেনিয়া ব্রিটিশ আমাদের ধন সম্পদ যেমন লুট করেছে তেমনি আমাদের শক্তিশালী কৃষি সম্পদ ও পশু সম্পদ সবই লুট করেছে। আজ আমরা সেই সিম্যান কিনে আনি। ব্রাহাম আমাদের দেশে নিষিদ্ধ নয়। মাংসের উচ্চগতি বর্ধন এক জাত।

পূর্বে খামার ছিল কৃষকের হাতে, এখন এই খাতে লাভ থাকায় বেনামী উদ্যোক্তারা এই বাজার দখল করছে। তাই এ ব্যাপারে সুষ্ঠু নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।